সুভা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৩ | Shuva Golper Question

সুভা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৩ – আসসালামু আলাইকুম প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আপনি কি সুভা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৩ জানতে চাচ্ছেন? তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য। আজকে আমি শেয়ার করব সুভা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৩ । আশা করি যারা এসএসসি পরীক্ষা দিবেন তাদের উপকারে আসবে।

‘সুভা’ গল্পে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী সুভার প্রতি লেখকের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা ও মমতার প্রকাশ ঘটেছে। সুভা কথা বলতে পারে না। তাই সে মনের ভাব সবার মতো করে প্রকাশ করতে পারে না।

সুভা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর  ২০২৩ 

✅ সৃজনশীল প্রশ্ন ১: সুদীপ্ত ও তনয়ার একমাত্র সন্তান মৌনতা। নিটোল চোখের শান্ত মৌনতা কথা বলতে পারে না। তার প্রতি মাঝে মাঝে মায়ের বিরূপ আচরণ মনে খুব দুঃখ দেয়, কিন্তু বাবার আদর ও ভালােবাসায় সে সব দুঃখ ভুলে যায়। সুদীপ্ত কখনােই মেয়েকে বােঝা মনে করেন না বরং তার কাছে মৌনতা সৃষ্টিকর্তার এক বিশেষ উদাহরণস্বরূপ। তাই, মৌনতার সব না বলা ভাষার চাহনি তার কাছে এক গল্পগাথা।

ক. ‘সুভা’ গল্পে কাকে অকর্মণ্য বলা হয়েছে?

খ. “বাক্যহীন মনুষ্যের মধ্যে বৃহৎ প্রকৃতির মতাে একটা বিজন মহত্ত্ব আছে।”- সুভা’ গল্পের লেখকের এই উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের সুদীপ্ত চরিত্রটি ‘সুভা’ গল্পের কোন চরিত্রকে প্রতিফলিত করে? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকের মৌনতার বাবা সুভা’ গল্পের সুভার বাবারই প্রতিচ্ছবি ।” মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

✅সৃজনশীল ০২: মেঘনার তীরবর্তী গ্রামে বেড়ে ওঠা দুরন্ত কিশোর জুনায়েদ দশম শ্রেণির ছাত্র। ক্লাসে সবচেয়ে প্রাণবন্ত ও অসম সাহসী এ কিশোর। সবকিছুতে তার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। খেলাধুলা, বন্ধুদের সাথে দুষ্টুমি কোনো কিছুতে সে পিছিয়ে নেই। হঠাৎ একদিন সড়ক দুর্ঘটনায় সে তার একটি পা হারায়। এতে সে মানসিকভাবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। পড়ালেখায় মন দিতে পারছে না। তার সর্বদা মনে হতে লাগল * এখন আর পড়ালেখা করে কী লাভ হবে? কিন্তু তার সহপাঠীরা তাকে উৎসাহ ও সাহস দিয়ে আবার প্রাণচঞ্চল করে তোলে। সে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়। সকলে তার সফলতায় খুশি হয়।

ক. সুভা কার কাছে মুক্তির আনন্দ পায়?

খ. মা সুভাষিণীকে নিজের ত্রুটিম্বরূপ দেখতেন কেন?

গ. উদ্দীপকের জুনায়েদের মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার দিকটি ‘সুভা’ গল্পের সুভার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকের সহপাঠীদের মতো মানসিকতা থাকলে ‘সুভা’ গল্পের সুভার পরিবারকে বিড়ম্বনার শিকার হতে হতো-না— মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

✅সৃজনশীল ০৩: জাবিদ, জহির ও খালিদ তিন বন্ধু একই স্কুলে একই শ্রেণিতে পড়ে এবং একসাথে স্কুলে যায়। জাবিদের মাঝেমধ্যে হেঁটে বিদ্যালয়ে যেতে কষ্ট হয়। পা অবশ হয়ে আসে। পথ চলতে গিয়ে কখনো কখনো বসে পড়ে সে। জহির ও খালিদ তাকে সঙ্গ দেয়। এতে তাদের মাঝেমধ্যে স্কুলে পৌছাতে দেরি হয়ে যায়। জাবিদের মায়ের কাছ থেকে জানা যায়, ছোটবেলায় তার ভীষণ অসুখ হওয়ার পর থেকে তার এ সমস্যাটি দেখা দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে জামিল স্যার জাবিদকে সহযোগিতার জন্য খালিদ ও জহিরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

ক. ‘কিশলয়’ অর্থ কী?

খ. ‘তুমি আমাকে যাইতে দিয়ো না, মা’- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের জাবিদ আর ‘সুভা’ গল্পের সুভার মিল কোথায়? বর্ণনা দাও।

ঘ. উদ্দীপকের জামিল স্যার ও জাবিদের বন্ধুদের ভূমিকা ‘সুভা’ গল্পের লেখকের আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন— বিশ্লেষণ কর।

✅সৃজনশীল ০৪: মেয়েটির নাম আঁখি। চোখে না দেখলেও বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে পড়াশোনা চালিয়ে যায়। বন্ধুদের অন্যতম ‘তিতু’ জন্মদিনের উপহার হিসেবে আঁখিকে একটি ঝুনঝুন বল উপহার দেয়। এই বলের সাহায্যে ক্রিকেট খেলার ছক্কা মেরে আঁখি তার দলকে বিজয় এনে দেয়।

ক. সুভা দুই বাহুতে কাকে ধরে রাখতে চায়?

খ. সুভা পিতামাতার মনে সর্বদাই জাগরূক ছিল কেন? বুঝিয়ে দাও।

গ. উদ্দীপকে ‘সুভা’ গল্পের যে বিশেষ দিকের প্রতিফলন ঘটেছে তা ব্যাখ্যা কর।

ঘ. “সুভা’ গল্পের ‘প্রতাপ’ যদি উদ্দীপকের ‘তিতু’ হতো, তাহলে ‘সুভা’ গল্পের পরিণতি অন্য রকম হতে পারত।”- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

✅সৃজনশীল ০৫: সুদীপ্ত ও তনয়ার একমাত্র সন্তান মৌনতা। নিটোল চোখের শান্ত মৌনতা কথা বলতে পারে না। তার প্রতি মাঝে মাঝে মায়ের বিরূপ আচরণ মনে খুব দুঃখ দেয়, কিন্তু বাবার আদর ও ভালোবাসায় সে সব দুঃখ ভুলে যায়। সুদীপ্ত কখনোই মেয়েকে বোঝা মনে করেন না বরং তার কাছে মৌনতা সৃষ্টিকর্তার এক বিশেষ উদাহরণস্বরূপ। তাই, মৌনতার সব না বলা ভাষার চাহনি তার কাছে এক গল্পগাথা।

ক. ‘সুভা’ গল্পে কাকে অকর্মণ্য বলা হয়েছে?

খ. “বাক্যহীন মনুষ্যের মধ্যে বৃহৎ প্রকৃতির মতো একটা বিজন মহত্ত্ব আছে।”- ‘সুডা’ গল্পের লেখকের এই উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের সুদীপ্ত চরিত্রটি ‘সুভা’ গল্পের কোন চরিত্রকে প্রতিফলিত করে? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকের মৌনতার বাবা ‘সুভা’ গল্পের সুভার বাবারই প্রতিচ্ছবি।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

✅সৃজনশীল ০৬: বাবা-মা হারা রেজা তার চাচা আমজাদ সাহেবের কাছে থাকে। রেজার একটি হাত ও একটি পা নেই। তবু সে থেমে থাকে না। ক্লাসে ভালো ফলাফল করায় শিক্ষকগণ তাকে স্নেহ করেন। সহপাঠীরা তাকে সহযোগিতা করে। তবে কেউ কেউ তাকে নিয়ে তামাশা করে। ফলে অনেক সময় মন খারাপ হয়। চাচা তাকে বলে, “মন খারাপ করো না, এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে তুমি সবাইকে দেখিয়ে দাও যে তুমিও পার।”

ক. সুভার মা সুভার প্রতি বিরক্ত ছিলেন কেন?

খ. সুভা মনে মনে বিধাতার কাছে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত কেন? ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের রেজার সাথে ‘সুভা’ গল্পের সুভার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

ঘ. সুভার বাবা-মায়ের মানসিকতা যদি রেজার চাচার মতো হতো তবে সুভার পরিণতি অন্য রকম হতে পারত- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

✅সৃজনশীল ০৭: পারমিতা জন্মান্ধ। খেলার সাথি না জুটলেও সে নিঃসঙ্গ নয়। বিকেল বেলায় সে বাড়ির দিঘির শান বাঁধানো ঘাটে গিয়ে বসে। স্নিগ্ধ শীতল জলের সঙ্গে তার দরদ ভরা আলাপ চলে। এ সবের মাঝে সে মুক্তির আনন্দ খুঁজে পায়। পরবর্তীতে পারমিতাকে পাত্রস্থ করার জন্য তার পিতা-মাতাকে বেশি ভাবতে হয়নি। প্রতিবেশী আলম সাহেব পারমিতাকে তার পুত্রবধূ হিসেবে বরণ করে নেয়।

ক. প্রতাপের প্রধান শখ কী?

খ. সুভার সমস্ত হৃদয় অবাষ্পে ভরে গেল কেন? বুঝিয়ে গেল।

গ. উদ্দীপকের পারমিতার মুক্তির আনন্দের সাথে সুভার চরিত্রের যে দিকের মিল রয়েছে তা ব্যাখ্যা কর?

ঘ. “উদ্দীপকের পারমিতার জীবনের পরিণতির বিপরীত চিত্র সুভার জীবনে মর্মবেদনার কারণ।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

✅সৃজনশীল ০৮: রিয়ার বয়স সতেরো পেরিয়ে আঠারোয় পড়েছে। ওর সমবয়সী অনেকেই বিয়ে-থা করে রীতিমতো সংসারী। কিন্তু রিয়ার জন্ম থেকেই হাত দুটো অসাড় হওয়ায় অন্যদের মতো তার সংসার করা হয়নি। রিয়ার বিধবা মা সেলিনা বেগম এতে বিচলিত নন। ছোট ছেলে পনেরো বছরের রাতুলের চেয়ে কোনো অংশে রিয়ার আদর-যত্ন তিনি কম করেন না। পাড়ার দু’একজন অবশ্য রিয়ার বিকাশের পথে জিন-ভূতের আছরকে দায়ী করে। কিন্তু ওসবকে পাত্তা দেন না সেলিনা বেগম।

ক. সুভা জলকুমারী হলে কী করত?

খ. প্রতাপকে নিতান্ত অকর্মণ্য লোক কেন বলা হয়েছে?

গ. উদ্দীপকের সেলিনা বেগম এবং ‘সুভা’ গল্পের সুভার মায়ের বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকের রিয়া কি ‘সুভা’ গল্পের সুভা? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দেখাও।

✅সৃজনশীল ০৯: দুই পা আছে কিন্তু উঠে দাঁড়াবার শক্তি নেই। তাতে কী? আত্মবিশ্বাস তো আছে। তাই তো জীবনযুদ্ধে দমে যাননি আলমগীর হোসেন। ছোটবেলায় টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন তিনি। তারপর থেকে হাঁটা-চলা ও কাজকর্ম করার কথা কখনো চিন্তা করতে পারেননি আলমগীর । কিন্তু শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হলেও জীবিকার তাগিদে রিকশাকে বেছে নিয়েছেন হাতিয়ার হিসেবে।

ক. সুভা জলকুমারী হলে কী করত?

খ. “তাহার মর্ম তাহারা ভাষার অপেক্ষা সহজে বুঝিত”— কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

গ. উদ্দীপকের আলমগীর হোসেনের সাথে ‘সুভা’ গল্পের সুভার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।

ঘ. “উদ্দীপকের আলমগীর হোসেনের পরিস্থিতি ও পরিণতি সুভার পরিণতি থেকে ভিন্ন।”- মতামত দাও।

✅সৃজনশীল ১০: বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে বেশ উপর থেকে পড়ে যান শিমুল। অনেক চেষ্টার পরও তার দুটি হাত কেটে ফেলা হয়। রোজগেরে শিমুল পরিবারের বোঝা হয়ে ওঠে। সকলের অবহেলা, বঞ্চনায় তার জীবন হয়ে ওঠে মৃত্যুর শামিল। দুপায়ের সাহায্যে কাজ করার চেষ্টায় শুরু হয় তার কঠোর সংগ্রাম। অবলম্বন হিসেবে বেছে নেয় রং ও তুলি। আর বিষয় হয় প্রকৃতি। সাদা ইজেলে রং-তুলির সাহায্যে প্রকৃতিকে বিভিন্নভাবে ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমেই খুঁজে পায় জীবনের অর্থ ও সুখ। ছবির প্রকৃতিই হয়ে ওঠে শিমুলের আনন্দের নিরাপদ আশ্রয়।

ক. ‘সুভা’ গল্পের গাভী দুটির নাম কী?

খ. ‘সুভা’ গল্পে “চিরনিস্তব্ধ হৃদয়-উপকূল” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. উদ্দীপক ও ‘সুভা’ গল্পের মধ্যে সাদৃশ্য নির্ণয় কর।

ঘ. প্রদত্ত উদ্দীপক ‘সুভা’ গল্পের বিষয়কে পুরোপুরি ধারণ করে কি? যুক্তিসহ ব্যাখ্যা কর।

সৃজনশীল উত্তর

শেষ কথা 

উপরে সুভা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৩  নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই সৃজনশীল প্রশ্ন গুলো মনোযোগ দিয়ে পড়লে পরীক্ষায় কমন পড়বে৷ আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন।

নোটঃ আজকের পোস্টে শেয়ার করা সুভা গল্পের  সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর আমার নিজের বানানো নয়। সব কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। কারো কোনো অভিযোগ থাকলে আমাদের জানাতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে। 
Visited 1 times, 1 visit(s) today